https://www.profitablegatecpm.com/fn9m7jbb?key=cd5dd27920e1d1b3ddecab391c37b879

বিকাশ এজেন্টে একাউন্ট করতে কত টাকা লাগে জানেন কি? এজেন্ট হলে কি কি লাভ- ২০২৪

বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট করতে  কত টাকা লাগে ?

বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট করতে  কত টাকা লাগে ?
বিকাশ এজেন্ট হতে কোনো টাকা পয়সা লাগে না। বিকাশ এজেন্ট হওয়ার জন্য আপনাকে শুধুমাত্র বিকাশের ওয়েবসাইটে গিয়ে একটি আবেদনপত্র ফরমপূরণ করতে হবে। আবেদনপত্র ফরম পূরণের সময় আপনাকে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যবসার তথ্য এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুলো জমা দিতে হবে। বিকাশের পক্ষ থেকে আপনার আবেদন যাচাই-বাছাই করা হবে এবং যদি আপনার আবেদন অনুমোদিত হয়, তাহলে আপনাকে একজন বিকাশ এজেন্ট হিসেবে নিবন্ধন করে দেওয়া হবে।


বিকাশ এজেন্ট হওয়ার জন্য আপনার যেসব কাগজপত্র গুলো জমা দিতে হবে সেগুলো নিচে দেওয়া হলো:


১. আপনার ব্যক্তিগত পরিচয়পত্র এবং (জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স জমা দিতে হবে ইত্যাদি)


২. আপনার ব্যবসার ট্রেড 

   লাইসেন্স 

৩. আপনার ব্যবসার ঠিকানার 

 প্রমাণপত্র (ইউটিলিটি বিল, ভাড়া চুক্তি ইত্যাদি)


বিকাশে এজেন্ট হওয়ার জন্য আপনার ব্যবসার কোনো নির্দিষ্ট ধরন বা আকার প্রয়োজন নেই। আপনি যেকোনো ধরনের ব্যবসার মালিক হলেই বিকাশ এজেন্ট নিতে পারবেন। তবে, আপনার ব্যবসার স্থানটি অবশ্যই জনবহুল স্থান এলাকায় হতে হবে।


বিকাশ এজেন্ট হওয়ার পর আপনি সাথে সাথে বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের আর্থিক সেবা প্রদান করতে পারবেন। নিচে তা দেওয়া হলো:


১. টাকা উত্তোলন করতে 

    পারবেন। 

২. টাকা জমা দিতে পারবেন।

৩. সহজে টাকা পাঠানো 

  পারবেন।

৪. টাকা গ্রহণ করা যাবে 

৫. মোবাইল ফোনে টাকা 

  রিচার্জ করা যাবে।

৬. বিল পরিশোধ করা যাবে 

৭. রেমিটেন্স গ্রহণ করা যাবে।


বিকাশ এজেন্ট হিসেবে আপনি প্রতি লেনদেন করার মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন। এই কমিশন থেকে আপনি আপনার ব্যবসায় লাভ করতে পারবেন।


2. আপনি কেন বিকাশের এজেন্ট হবেন? বিকাশ এজেন্ট রেজিস্ট্রেশন 


আমি বিকাশ এজেন্ট হবার কারণ আমি মনে করি এটি একটি অর্থপূর্ণ এবং ফলপ্রসূ কাজ। বিকাশ বাংলাদেশের বৃহত্তম মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী এবং এজেন্টরা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন।


বিকাশ এজেন্ট হিসাবে, আমি আমার সম্প্রদায়ের মানুষকে অর্থনৈতিক সুযোগ প্রদান করতে সক্ষম হবো। আমি তাদের মোবাইল রিচার্জ, ক্যাশ ইন/আউট, পেমেন্ট, ইত্যাদি সেবা প্রদান করে তাদের জীবনকে সহজ করতে পারি। এছাড়াও, আমি তাদের বিকাশের অন্যান্য সেবা সম্পর্কে অবহিত করতে পারি, যেমন বিকাশ অ্যাকাউন্ট খোলা, বিকাশ ওয়ালেট ব্যবহার করা, ইত্যাদি।


বিকাশ এজেন্ট হিসাবে, আমি নিজের জন্যও একটি ভালো আয়ের সুযোগ পাবো। বিকাশ এজেন্টদের জন্য বিভিন্ন ধরনের কমিশন এবং সুবিধা রয়েছে। আমি এই সুযোগগুলি কাজে লাগিয়ে একটি স্বাবলম্বী জীবন গড়ে তুলতে পারি।


বিকাশ এজেন্ট হওয়ার জন্য, আমাদের নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণ করতে হবে: যেমন


১. আমাদের বাংলাদেশের 

  নাগরিক হতে হবে।

২. বয়স ১৮ বছর বা তার 

  বেশি হতে হবে।

৩. আমাদের একটি স্থায়ী 

  ঠিকানা থাকতে হবে।

৪. আমাদের একটি মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে।


আমি মনে করি আমি এই সমস্ত শর্তগুলি পূরণ করলে। আপনি একজন সৎ এবং বিশ্বস্ত ব্যক্তি এবং আমি আমার কাজের প্রতি নিবেদিত। আমি বিকাশ এজেন্ট হিসাবে সফল হতে আমার যথাসাধ্য চেষ্টা করব।


বিকাশ এজেন্ট রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়াটি নিচে দেওয়া হলো:


১. বিকাশের ওয়েবসাইটে যান এবং "এজেন্ট হন" এবং লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন।

২.আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করুন এবং আবেদন করুন।

৩. বিকাশের প্রতিনিধিরা আপনার সাথে যোগাযোগ করবেন।

৪. আপনার আবেদন অনুমোদিত হলে, আপনি একটি বিকাশ এজেন্ট হয়ে যাবেন।


আপনারা বিকাশের ওয়েবসাইটে গিয়ে "এজেন্ট হন" লিঙ্কটিতে ক্লিক করে আপনার আবেদন জমা দেবেন। আমি আশা করি আপনাদের আবেদন অনুমোদিত হবে এবং আপনি একজন বিকাশ এজেন্ট হতে পারবেন।

বিকাশ এজেন্ট ব্যবসা শুরু করতে কত টাকা লাগে-২০২৪

বিকাশ এজেন্ট ব্যবসা শুরু করতে কত টাকা লাগে-২০২৪

বিকাশ এজেন্ট ব্যবসা শুরু করতে কত টাকা লাগে তা নির্ভর করে আপনার ব্যবসার স্থান, আকার এবং সুযোগ-সুবিধাগুলোর উপর। তবে, সাধারণভাবে, আপনি প্রায় ১ লক্ষ টাকা থেকে ২ লক্ষ টাকা বিনিয়োগের প্রত্যাশা করতে পারেন।


একটি বিকাশ এজেন্ট ব্যবসা শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় মূলধনের মধ্যে রয়েছে:


১.ব্যবসায়িক স্থান:

 একটি দোকান বা অফিস রেন্ট বা কেনার জন্য আপনাকে অর্থ প্রদান করতে হবে।


২.কম্পিউটার এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি:

 আপনাকে একটি কম্পিউটার, একটি প্রিন্টারের, একটি স্ক্যানার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কিনতে হবে।


৩.বিকাশ লাইসেন্স:

 বিকাশ এজেন্ট হওয়ার জন্য আপনাকে একটি লাইসেন্স পেতে হবে। এই লাইসেন্সের জন্য আপনাকে একটি ফি প্রদান করতে হবে।

 বিকাশ এজেন্ট ব্যবসার জন্য বিকাশ লাইসেন্স


ব্যবসায়িক স্থান এবং যন্ত্রপাতিগুলির ব্যয় আপনার এলাকার উপর নির্ভর করবে। ঢাকা, একটি ছোট দোকান ভাড়া নেওয়ার জন্য আপনাকে প্রায় ৫০,০০০ টাকা থেকে ১০০,০০০ টাকা খরচ করতে হবে। কম্পিউটার, প্রিন্টারের এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতিগুলির জন্য আপনাকে আরও প্রায় ৫০,০০০ টাকা থেকে ১০০,০০০ টাকা খরচ করতে হবে।


বিকাশ লাইসেন্সের জন্য ফি ১০,০০০ টাকা।


এই ব্যয়গুলি ছাড়াও, আপনাকে আপনার ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য আপনাকে কিছু প্রাথমিক খরচের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে-


১.কর্মচারীদের বেতন:

 যদি আপনার কর্মচারী থাকেন তবে তাদের বেতন দিতে হবে।

২.বিদ্যুৎ বিল:

 আপনার ব্যবসায়ীক কাজের জন্য বিদ্যুৎ বিল দিতে হবে।

৩.অন্যান্য খরচ:

 আপনার ব্যবসায়ীক কাজের জন্য আপনাকে অন্যান্য খরচ দিতে হবে যেমন:

 পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা ইত্যাদির জন্য আপনাকে অর্থ প্রদান করতে হবে।


আপনি যদি একটি লাভজনক বিকাশ এজেন্ট ব্যবসা শুরু করতে চান তাহলে আপনাকে একটি ভালো অবস্থানে একটি দোকান খুঁজে বের করে নিতে হবে। আপনার দোকানটি লোকসমাগমপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত হওয়া উচিত যাতে আপনি বেশি গ্রাহক পেতে পারেন। আপনার দোকানে একটি সুন্দর এবং পরিষ্কার পরিবেশ থাকা উচিত যাতে গ্রাহকদের আরামদায়ক বোধ হয়।


আপনি যদি একটি ভালো পরিষেবা প্রদান করেন এবং আপনার গ্রাহকদের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারেন তবে আপনি একটি লাভজনক বিকাশ এজেন্ট ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।


বিকাশ এজেন্ট কমিশন কত টাকা ২০২৪?

বিকাশ এজেন্ট কমিশন কত টাকা ২০২৪?

বিকাশ এজেন্টের কমিশন প্রতি লেনদেনে ০.৪৩%। অর্থাৎ, একজন বিকাশ এজেন্টের ১ হাজার টাকার লেনদেনে ৪.৩০ টাকা কমিশন পায়।


বিকাশের বিভিন্ন সেবায় কমিশনের টাকার হার নিচে দেওয়া হলো -


১.টাকা পাঠানো  

   ০.৪৩% 

২. টাকা উত্তোলন 

   ০.৪৩% 

 ৩.বিল পরিশোধ  

   ০.৪৩% 

৪. রিচার্জ = ০.৪৩% 

৫.অন্যান্য সেবা=   

  ০.৪৩%  

 বিকাশ এজেন্টদের কমিশন পরিমাণ নির্দিষ্ট সময়ের 

 পরপর পর্যালোচনা করে পরিবর্তন করা হয়।

5. বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম – বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট নিতে কি কি কাগজপত্র লাগে


বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার নিয়ম 2024


বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খুলতে হলে যেসব   ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে তা নিচে দেওয়া হলো:-


ধাপ ১. আবেদন করুন


বিকাশ ওয়েবসাইট থেকে "বিকাশ এজেন্ট" লিংকে ক্লিক করে আবেদন ফর্ম পূরণ করুন। আবেদন ফর্মে আপনার নাম, ঠিকানা, যোগাযোগের তথ্য, ব্যবসায়ের তথ্য এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তথ্য প্রদান করতে হবে।


ধাপ ২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিন


আপনার বিকাশ এজেন্টের আবেদন অনুমোদিত হলে, আপনাকে নিম্নলিখিত নিচের কাগজপত্র জমা দিতে হবে:- যেমন :


১/ জাতীয় পরিচয়পত্রের 

     ফটোকপি জমা দিতে 

   হবে 

২/ ট্রেড লাইসেন্সের 

   ফটোকপি জমা দিতে 

   হবে 

৩/ বিকাশ এজেন্ট 

   একাউন্ট খোলার ফর্ম পূরণ করতে হবে।


ধাপ ৩. প্রশিক্ষণ গ্রহণ করুন নিয়ম 


বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার জন্য আপনাকে একটি প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে। এই প্রশিক্ষণে বিকাশের বিভিন্ন সেবা এবং নীতিমালা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।


ধাপ ৪. বিকাশ এজেন্ট পয়েন্ট চালু করুন


প্রশিক্ষণ শেষ করার পর, আপনি আপনার বিকাশ এজেন্ট পয়েন্ট চালু করতে পারবেন।


বিকাশ এজেন্ট নিতে কি কি কাগজপত্র লাগে:


বিকাশ এজেন্ট নিতে হলে আপনাকে অবশ্যই নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে:


ব্যক্তিগত যোগ্যতা:- বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট নিতে হতে হলে একজন ব্যক্তির অবশ্যই নিচের নিম্নলিখিত যোগ্যতাগুলি থাকতে হবে:

    ১ বাংলাদেশের 

      নাগরিক হতে হবে।

    ২ অন্তত ১৮ বছর বয়স 

      হতে হবে 

    ৩. ন্যূনতম এসএসসি 

       পাস থাকতে হবে 

    ৪. ব্যবসায়িক কাজে 

      দক্ষতা থাকতে হবে।

ব্যবসায়ের স্থান:

১. বিকাশ এজেন্ট পয়েন্ট চালু করতে হলে একটি উপযুক্ত ব্যবসায়িক স্থান প্রয়োজন। এই স্থানটি অবশ্যই জনবহুল এলাকায় অবস্থিত হতে হবে।

প্রযুক্তিগত সুবিধা:


 বিকাশ এজেন্ট পয়েন্ট চালু করতে হলে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সুবিধা থাকতে হবে। এই সুবিধাগুলোর নিচে দেওয়া  হলো -

    ১. ইন্টারনেট সংযোগ 

        থাকতে হবে।

    ২. কম্পিউটার থাকতে 

        হবে

    ৩. প্রিন্টার থাকতে হবে

    ৪. ক্যামেরা থাকতে 

        হবে


বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার সুবিধা:


বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার বেশ কিছু দিক সুবিধাগুলো রয়েছে। এর মধ্যে  রয়েছে:


উচ্চ আয়ের সম্ভাবনা:


 বিকাশ এজেন্টদের মাধ্যমে বিকাশের বিভিন্ন সেবা প্রদান করা যায়। এই সেবাগুলোর মাধ্যমে বিকাশ এজেন্টরা উচ্চ আয় করতে পারেন।


ব্যবসায়িক সুযোগ:


 বিকাশ এজেন্ট পয়েন্ট চালু করে একজন ব্যবসায়ী তার ব্যবসায়িক সুযোগ বৃদ্ধি করতে পারেন।


সামাজিক পরিচিতি:


 বিকাশ এজেন্ট হিসেবে একজন ব্যক্তির সামাজিক পরিচিতি বৃদ্ধি পায়।


বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট খোলার জন্য আপনারা বিকাশের ওয়েবসাইট বা তাদের নিকটস্থ বিকাশ কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করতে পারেন।

কাস্টমার কেয়ারে নাম্বার- ১৬২৪৭ অথবা ০২-৫৫৬৬৩০০১ ।


বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট করতে  কত টাকা লাগে সেই বিষয়ে কিছু প্রশ্ন ও উত্তর?

বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট করতে  কত টাকা লাগে সেই বিষয়ে কিছু প্রশ্ন ও উত্তর?



১. প্রশ্ন:  বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট করতে  কত টাকা লাগে?


উত্তর:  বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট করতে  কোন টাকা লাগে না। বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট করা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।


২. প্রশ্ন: বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট করতে কি কি যোগ্যতা লাগে?


উওর: বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট করতে  হলে নিম্নলিখিত যোগ্যতাগুলি থাকতে হবে:- যেমন:


১  বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।

২ বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি হতে হবে।

৩. ন্যূনতম ৮ম শ্রেণী পাশ হতে হবে।

৪. ব্যবসায়িক কাজের 

   লাইসেন্স থাকতে হবে।

৫. নিজের বা ভাড়া নেওয়া দোকান থাকতে হবে।

৬. দোকানটিতে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে।


৩.প্রশ্ন: বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট করতে গেলে কি কি কাগজপত্র লাগে?


উওর: বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট করতে হলে আপনার নিম্নলিখিত কাগজপত্র লাগবে:


১. জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি

২. শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের ফটোকপি

৩. ব্যবসায়িক লাইসেন্সের ফটোকপি

৪  দোকানের ঠিকানার প্রমাণপত্র (বিদ্যুৎ বিল, টেলিফোন বিল, ইত্যাদি)


৪. প্রশ্ন: বিকাশ এজেন্টে  কিভাবে আবেদন করতে হয়?


উওর:  বিকাশ এজেন্টে আবেদন করতে হলে বিকাশের ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদন করার পর বিকাশের প্রতিনিধিরা আপনার দোকানে এসে সরেজমিনে পরিদর্শন করবেন এবং আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন।


৫. প্রশ্ন: বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট হিসেবে আয় কত?


উত্তর: বিকাশ এজেন্ট একাউন্ট হিসেবে আয় নির্ভর করে আপনার লেনদেনের পরিমাণের উপর। প্রতিটি লেনদেনের জন্য বিকাশ আপনাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন প্রধান করবে । এছাড়াও, আপনি আপনার বিকাশের বিভিন্ন সেবা থেকে কমিশন পেতে পারেন।


উপসংহার 


বিকাশ এজেন্ট হওয়া একটি লাভজনক ব্যবসা। আপনি যদি একজন উদ্যোক্তা হতে চান এবং আপনার নিজের ব্যবসা করতে চান, তাহলে বিকাশ এজেন্ট হওয়া একটি ভালো বিকল্প পদ্ধতি হতে পারে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

সবার আইটি বাড়িরনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url